July 22, 2026, 5:45 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
ইবি উপাচার্যের সঙ্গে IEEE স্টুডেন্ট ব্রাঞ্চের সৌজন্য সাক্ষাৎ যশোর-বেনাপোল ডাবল রেললাইন প্রকল্প/আমদানি-রপ্তানি ও বাংলাদেশ-ভারত রেল যোগাযোগে নতুন গতি প্রত্যাশা নারীর সঙ্গে জামাত এমপির ভাইরাল ভিডিও বিতর্ক: কী বলছে ফ্যাক্ট-চেক, কী বলছে জামায়াত শিক্ষা শুধু সনদ অর্জনের বিষয় নয়, সক্ষমতা তৈরীর উপায় : ইবি উপাচার্য প্রশাসনের রাজনীতিকরণ: রাষ্ট্রের নীরব ক্ষয়, গণতন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদি সংকট স্পেনের বিশ্বজয়, আর্জেন্টিনার স্বপ্নভঙ্গ: বিশ্বফুটবলের নতুন যুগের সূচনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিবছর পুনর্ভর্তি ফি শিক্ষার্থীর ন্যায়বিচার লঙ্ঘন করছে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া/ গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সম্পন্নের সময় বাড়ল, শেষ সুযোগ ২১ জুলাই লোকসানি রেনউইক যজ্ঞেশ্বরের শেয়ারদর এক সপ্তাহে বেড়েছে ২৭% খোকসায় মাদক ব্যবসার টাকা ভাগ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জোড়া খুন, আহত ১

ভারত দেশ জুড়ে ১৭ মে পর্যন্ত বাড়ল লকডাউন

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন ডেস্ক//*/

ভারত দেশ জুড়ে আরও বাড়ল লকডাউনের মেয়াদ। তৃতীয় দফায় আরও ১৪ দিনের জন্য লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করল সে দেশের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এই চোদ্দ দিনে কোন কোন ক্ষেত্রে কী ধরনের কার্যকলাপ চলবে অথবা চলবে না, তা নিয়েও কেন্দ্র এ দিন নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে।
গোটা দেশ জুড়ে জোন নির্বিশেষে কিছু বিষয়ের উপর সম্পূর্ণ বিধিনিষেধ জারি থাকছে। যেমন, বিমানে, ট্রেনে, মেট্রোয় যাতায়াত, সড়ক পথে এক রাজ্য থেকে আর এক রাজ্যে যাতায়াত। স্কুল, কলেজ, অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, হোটেল, রেস্তরাঁ, ধাবা বন্ধ থাকবে। সিনেমা হল, মল, জিম, স্পোর্টস কমপ্লেক্সের মতো যে সব জায়গায় বড়সড় জমায়েত হয়, সে গুলো বন্ধ থাকবে। সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় জমায়েত করা যাবে না। ধর্মস্থান বা উপাসনা স্থলে জমায়েত করা যাবে না। যদিও নির্দিষ্ট কিছু কাজের জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অনুমতিক্রমে বিমান, রেল বা সড়ক পথে যাতায়াত করা যেতে পারে।
দেশের যে জেলাগুলিতে এক বা একাধিক নগর নিগম এলাকা রয়েছে, সেই জেলাগুলির জন্য আলাদা কৌশল নিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। নগর নিগম এলাকায় জনঘনত্ব বেশি থাকার কারণে সংক্রমণের আশঙ্কা ওই সব এলাকায় বেশি থাকে। কিন্তু নগর নিগমের বাইরে ওই জেলার যে সব এলাকা রয়েছে, জনঘনত্ব কম হওয়ায় সেইসব এলাকায় সংক্রমণ কমও হতে পারে। তাই ওই সব জেলাকে দু’টি জোনে ভাগ করে দেওয়ার সংস্থান কেন্দ্রীয় নির্দেশিকায় রাখা হয়েছে। নগর নিগম এলাকা একটি জোন, তার বাইরের এলাকা আর একটি জোন— এ ভাবে ভাগ করা যেতে পারে। যদি দেখা যায় যে, নগর নিগমের বাইরে থাকা এলাকায় ২১ দিন ধরে কোনও নতুন সংক্রমণের খবর নেই, তা হলে ওই অঞ্চলকে বিভাজনের শ্রেণিতে এক ধাপ নামিয়ে দেওয়া যাবে। অর্থাৎ নগর নিগম এলাকা যদি রেড জোন হয়, তা হলে তার বাইরের এলাকাকে অরেঞ্জ জোন ঘোষণা করা যাবে। নগর নিগম অরেঞ্জ জোন হলে, বাইরের এলাকাকে গ্রিন জোন ঘোষণা করা যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net